বাংলাদেশকে ভ্যাকসিন দিতে ভারত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

বার্তা ডেস্কঃ প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন রপ্তানির বিষয় খোলাসা করেছে ভারত। দেশটি জানিয়েছে, বাংলাদেশে করোনার ভ্যাকসিন সরবরাহ করতে ভারতের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সূত্রের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এমনটি জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম দ্য ইকোনমিক টাইমস।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, ভারত সব মানুষের জন্য ভ্যাকসিন তৈরি করবে এবং এটি সর্বোচ্চ স্তরের প্রতিশ্রুতি।

এদিকে ভারতের অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনাভাইরাসের টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সেরাম ইন্সটিটিউটও জানিয়েছে, তাদের টিকা রফতানির ওপর কোন নিষেধাজ্ঞা নেই।

সেরাম ইন্সটিটিউটের জনসংযোগ কর্মকর্তা মায়াঙ্ক সেন ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে জানিয়েছেন, ভ্যাকসিন রফতানিতে নিষেধাজ্ঞার যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, তা পুরোপুরি সঠিক নয়। কারণ তাদের ভ্যাকসিন রফতানির ওপর কোন নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে করোনা ভ্যাকসিন রফতানির অনুমোদন পেতে আরো কয়েকমাস পর্যন্ত সময় লাগবে বলেও জানান মায়াঙ্ক সেন।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন ভারত থেকে ভ্যাকসিন পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী বলে জানিয়েছেন। এনিয়ে সোমবার আবদুল মোমেন বলেছেন, ভ্যাকসিন নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। স্থাস্থ্যমন্ত্রী যেহেতু বলেছেন- এ মাসেই ভ্যাকসিন আসবে, সেহেতেু এ মাসেই ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে।

তিনি আরো বলেছেন, ভ্যাকসিন নিয়ে ভারতের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তারা ভ্যাকসিন দিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। সেহেতু ভ্যাকসিন না পাওয়ার কারণ নেই। এ মাসেই চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ ভ্যাকসিন পাবে।

সেরাম ইনস্টিটিউটের কাছ থেকে বাংলাদেশ অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ৫০ লাখ ডোজ টিকা আগামী মাসের শুরুতে পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রতি মাসে ৫০ লাখ ডোজ হিসেবে পুরো তিন কোটি টিকার জন্য অগ্রিম হিসেবে এরইমধ্যে ছয়শ কোটি টাকা সেরামের অ্যাকাউন্টে রবিবার জমা দেয়ার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।

এর আগে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) রাব্বুর রেজা জানান, বেক্সিমকো ও সেরাম ইনস্টিটিউটের মধ্যে চুক্তি হয়েছে। সেই চুক্তিতে উল্লেখ রয়েছে, স্থানীয় অনুমোদনের পর (বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদন) সেরাম ইনস্টিটিউট এক মাসের মধ্যেই প্রথম ধাপের টিকা সরবরাহ করবে। ইকোনমিক টাইমস, বিবিসি

Share This Post

Post Comment