ডিএনসিসি’র ৪৩ নং ওয়ার্ড এর রাস্তাগুলোর বেহাল দশা

শামীম চৌধুরীঃ   রাজধানীর খিলক্ষেত থানার  ডিএনসিসি ৪৩ নং ওয়ার্ড এর রাস্তাগুলোর বেহাল দশা। দীর্ঘ দিন সংস্কার না হওয়ায় রাস্তাগুলো খানা খন্দে ভরা ও  ছোট-বড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। তাই চলাচল করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত পথচারী ও যাত্রীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় ইছাপুরা ব্রিজ হতে  ভোয়ালিয়া ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার  এবং পাতিরা পশ্চিম পাড়া সুলতান মার্কেট  হাতে তলনা হাই স্কুল প্রায় ২ কিলোমিটার সড়কের। স্থানীয়রা জানান, ইছাপুরা ব্রিজ  হতে পাতিরা,ডুমনী, পিংসিটি, বরুয়া হয়ে খিলক্ষেত যাওয়া আসা করতাম আমরা।আমাদের  চলাচলের যানবাহন ছিলো ইছাপুরা ব্রিজ থেকে সিএনজি, ইজিবাইক (অটোরিক্সা) রিক্সা দিয়ে আমরা যাতায়াত করতাম।এখন আমাদের এই রাস্তায় গাড়ি চলাচল দুরের কথা মানুষের হাটা চলার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। পাতিরা এলাকার  একাদিক স্হানীয় ব্যাক্তি বলেন আমাদের পাতিরাতে কয়েকটি বালুর গথির গাড়ি ইছার মাতা(ট্রাক্টর) ডাম ট্রাক চলতো রাস্তার তেমন ক্ষতি  হয়নি। বর্তমান পাতিরাতে গড়ে উঠেছে ৩ টি বড় কোম্পানি এন ডি ই রেডিমিক্স কনক্রিট, বোরাক রেডিমিক্স  কনক্রিট ও প্রান কোম্পানি  এ ৩ টি কোম্পানির  বড় বড় গাড়ি
।  ফলে এই কোম্পানি গুলোর  ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে সড়কের বিভিন্ন স্থান ডেভে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এমনকি সড়কের পিচ, সুরকি, ইট উঠে গিয়ে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি হলেই ওইসব গর্তে পানি আটকে থাকে। এতে ছোট যানবাহন দুর্ঘটনায় কবলিত হয়। তারা আরো বলেন পাতিরাতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহ একাদিক স্কুল, মসজিদ,মাদ্রাসা রয়েছে। এসকল স্কুল পড়ুয়া কমলমতি শিশু শিক্ষার্থী ও মুসল্লিগন এবং শত শত শিক্ষার্থী এ রাস্তায় প্রতিদিন যাতায়াত করে। এ রাস্তা দিয়ে তাদের চলাচল করতে হয়, যত দুর্ভোগ পোহাতে হয় স্হানীয় জনগনের ।ডুমনী একালায় একাদিক স্বহানীয় ব্যাক্তিগন বলেন আমাদের ডুমনী বাজারে রয়েছে  ৩ ব্যাংক  ১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ডুমনী হাইস্কুল এন্ড কলেজ, ডুমনী আমিরজান হাইস্কুল  এবং আমিরজান কলেজ,একাদিক মসজিদ ও মাদ্রাসা রয়েছে অস্হায়ী ওয়ার্ড কমিশানা কার্যালয়  ডুমনীতে। তাই সকল জনগনের আশা যাওয়াও ডুমনীতেই বেশি। এলাবাসির কাছে রাস্তার বেহাল দশার কারণ জানতে  চাইলে তারা বলেন এন ডি ই ও বোরাক কোম্পানি  ইতি পূর্বে মস্তুলে সরকারি  পনি উন্নয়ন বোর্ড এর জমিতে অবৈধ ভাবে স্হাপনা তৈরি করে ব্যাবসা করছিল। পানি উন্নয়ন বোর্ড তা ভেঙ্গে উচ্ছেদ করে দেয়। পরে কোম্পানি ২টি পাতিরা নদীর ধারে বোরাক ও এন ডি ই রেডিমিক্স কনক্রিট  ও প্রান কোম্পানি গড়ে উঠেছে । এ কোম্পানিগুলির বড় বড় গাড়ি  তাদের বাড়ি বাড়ি যানবাহন চলাচল করে এ সকল রাস্তার বেহাল দশা করে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত । যত দুরবোগ পোয়াতে হচ্ছে আমাদের। স্কুল ও কলেজের একাদিক  শিক্ষার্থী বলেন, ‘রাস্তার বেহাল দশায় চলাচল করতে খুবই অসুবিধা হয়।এখন করোনা ভাইরাসের কারনে স্কুল কলেজ বন্ধ রয়েছে।
৪৩ নং ওয়ার্ডের পাঠাও ,উবার মটর বাইক চালক  বলেন, ‘রাস্তায় গর্ত থাকায় মোটরসাইকেল চালাতে হিমশিম খেতে হয়। জরুরি ভিত্তিতে রাস্তার সংস্কার করা প্রয়োজন।’ ডেলন,তলনা,মস্তুলের একাদিক মানুষ  বলেন, আমাদের রাস্তা বেহাল অবস্হায়।  আমাদের ডুমনী,  পাতিরা  ইছাপুর বাজার  খিলক্ষেত  যাওয়ার রাস্তাগুলো গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ও যানবাহন চলাচল করছে এ রাস্তা দিয়ে। তবে রাস্তার করুণ দশায় হাটাচলার অনুপযোগ হয়ে পড়েছে ও যানচলাচলে বিঘ্ন ঘটছে।’অটো রিকশাচালক মোক্তার  হোসেন জানান, রাস্তায় গর্তের কারণে ঠিকমতো গাড়ি চালাতে পারেন না।একাদিক ইজিবাইক চালক জানান, রাস্তায় ছোট-বড় গর্তের জন্য যাত্রীরা  গাড়িতে বসতে পারে না। তারপরও ঝুঁকি নিয়েই গাড়ি চালাতে হয়।
৪৩ নং ওয়ার্ড  এর সাধারণ মানুষের চলাচলের রাস্তার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে । তাই ঢাকা উত্তর সিটি মেয়র  আতিকুল  ইসলাম ও ৪৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সলর শরিফুল  ইসলাম  ভূঁইয়ার প্রতি   রাস্তার পূর্ণ নির্মাণ কাজ করার জন্য দাবি জানিয়েছেন ৪৩ নং ওয়ার্ড বসবাসরত ভুক্তভোগী সাধরন মানুষেরা।

Share This Post

Post Comment

%d bloggers like this: