করোনা সংকটকালীন সময়ে সবজি যেভাবে জীবাণুমুক্ত করবেন

বার্তা ডেস্কঃ পুরো বিশ্ব এক অদৃশ্য শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে। এই অদৃশ্য শক্তি করোনাভাইরাস খালি চোখে দেখা না যাওয়ায় এটি কোথায় কখন অবস্থান করে তা বলা মুশকিল। তাই এই সংকটকালীন সময়ে করোনাভাইরাসের ঝুঁকি এড়াতে বাজার থেকে আনা অত্যাবশ্যকীয় সামগ্রী ব্যবহারের আগে জীবাণুমুক্ত করার কথা বলে থাকেন বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাড়িতে আসা সবজি এবং মুদিখানা সামগ্রী বা অন্য কোনো অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের মাধ্যমে জীবাণু বাড়িতে প্রবেশ করার আশঙ্কা থেকেই যায়। তবে সামান্য সাবধানতা অবলম্বন করলেই মাছ, মাংস, শাকসবজি-সহ আপনার বাড়ির অত্যাবশ্যকীয় জিনিস হতে পারে জীবাণুমুক্ত।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হাতের মাধ্যমেই জীবাণু সবচেয়ে তাড়াতাড়ি শরীরে প্রবেশ করতে পারে। তাই সবচেয়ে আগে হাত পরিষ্কার রাখা প্রয়োজন। সতর্কতা অবলম্বনের জন্য সঠিক পদ্ধতিতে গ্লাভস পরা যেতে পারে।

কোনোভাবেই ব্যাগের ভেতরে জীবাণু যাতে প্রবেশ করতে না পারে, সেই ব্যবস্থা করতে হবে। তাই ব্যবহার করতে পারেন হ্যান্ডেল দেওয়া প্লাস্টিক ব্যাগ। ব্যাগের হ্যান্ডেলে জীবাণু থেকে যাওয়াও অস্বাভাবিক কিছু না। তাই ব্যাগের হ্যান্ডেলকে জীবাণুমুক্ত করার জন্য অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল টিস্যু রাখতে পারেন। বাজার শেষ হয়ে যাওয়ার পর ব্যাগ পরিষ্কার করে আবর্জনা ফেলার জায়গায় ওই টিস্যু ফেলে দিন। তারপর নিজের হাতও স্যানিটাইজার কিংবা সাবানপানি দিয়ে পরিষ্কার করে ফেলুন।

মাছ, মাংস বাড়িতে পারলে উষ্ণ পানিতে ধুয়ে নিন। তাতে জীবাণু সংক্রমণের সম্ভাবনা এড়ানো যেতে পারে। সবজি-ফলমূলও ভালো করে কচলিয়ে ধুয়ে নিতে হবে।
শুকনো খাবার কেনার ক্ষেত্রেও একটু সচেতন হোন। ছোট মুদি দোকানের থেকে কাগজের ঠোঙায় ওজন করে ভরা জিনিসের পরিবর্তে কিছুদিন একেবারে প্যাকিং করা জিনিসপত্র কেনার চেষ্টা করুন। দেখবেন, প্যাকিং যেন কাটা কিংবা ছেঁড়া না থাকে।

দোকান থেকে চেখে দেখে জিনিস কেনার অভ্যাস থাকলে এখনই ত্যাগ করুন। নইলে বিপদ হতে পারে। এই সময়ে সকলের মাঝে বেশিক্ষণ ধরে খোলা পড়ে থাকা কোনও খাবার না খাওয়াই ভালো।

বাজার সেরে বাড়ি ফেরার পর অবশ্যই ব্যাগটি সাবানজল দিয়ে কেচে ফেলুন। তারপর কমপক্ষে চার ঘণ্টা কড়া রোদে শুকিয়ে নিন।

Share This Post

Post Comment

%d bloggers like this: