হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

বার্তা বিশেষ প্রতিবেদনঃ  রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত হলি আর্টিজান জঙ্গি হামলা মামলায় ৮ আসামির মধ্যে ৭ জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। মৃত্যুদন্ডের পাশাপাশি প্রত্যেক আসামিকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়।

এছাড়া হামলায় সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজানকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৭ নভেম্বর) ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় সব আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ জসিম উদ্দিন অপরাধ বার্তা কে এ রায়ের বিষয়ে নিশ্চিত করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামি হলেন, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজীব গান্ধী ওরফে সুভাষ ওরফে শান্ত ওরফে টাইগার ওরফে আদিল ওরফে জাহিদ, রাফিউল ইসলাম ওরফে রাকিবুল হাসান ওরফে রিগ্যান, মোঃ আব্দুস সবুর খান ওরফে হাসান ওরফে হাতকাটা সোহেল মাহফুজ ওরফে মুসাফির ওরফে জয় ওরফে নসুরুল্লাহ,  হাদিসুর রহমান সাগর, মোঃ আসলাম হোসেন ওরফে রাশেদ ইসলাম ওরফে আবু জাররা ওরফে র‌্যাশ, শরিফুল ইসলাম ওরফে খালেদ ও মামুনুর রশীদ ওরফে রিপন।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) পুলিশ পরিদর্শক হুমায়ুন কবির ২০১৮ সালের ২৩ জুলাই হামলায় জড়িত ২১ জনকে চিহ্নিত করে তাদের মধ্যে জীবিত আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

হলি আর্টিজানে হামলার সাথে জড়িত ২১ জনের মধ্যে সরাসরি জড়িত ৫ জন ঘটনাস্থলে নিহত হন। নিহতরা হলেন, রোহান ইবনে ইমতিয়াজ, নিবরাস ইসলাম, মীর সামিহ মোবাশ্বের, খায়রুল ইসলাম পায়েল ও শফিকুল ইসলাম উজ্জ্বল ওরফে বিকাশ। পরবর্তী সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে জঙ্গি বিরোধী অভিযানে নিহত হন ৮ জন। তারা হলেন, তামিম চৌধুরী, সরোয়ার জাহান ওরফে আব্দুর রহমান, তানভীর কাদেরী ওরফে জামসেদ, নূরুল ইসলাম মারজান, বাশারুজ্জামান চকোলেট, মিজানুর রহমান ওরফে ছোট মিজান, মেজর (অব.) জাহিদুল ইসলাম ও রায়হান কবির ওরফে তারেক।

২০১৬ সালের ১ জুলাই রাতে গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় হামলা চালিয়ে বিদেশি নাগরিকসহ ২০ জনকে হত্যা করে জঙ্গিরা। এ সময় তাদের গুলিতে পুলিশের দুই সদস্য নিহত হন। পরে অভিযানে পাঁচ জঙ্গি নিহত হয়। ঐ ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গুলশান থানায় মামলা দায়ের করে পুলিশ।

হলি আর্টিজান মামলার ঘটনা ঃ

ঘটনার তারিখ ও সময়ঃ ১ জুলাই, ২০১৬ ইং ও ২০.৪৫ টা।

ঘটনাস্থলঃ হলি আর্টিজান বেকারী, গুলশান, ঢাকা।

বাদীঃ রিপন কুমার দাস, এসআই, গুলশান থানা, ডিএমপি, ঢাকা।

মামলা নং ও তারিখঃ গুলশান মডেল থানার মামলা নং ০১, তারিখ: ০৪/০৭/২০১৬ ইং।

ধারাঃ ২০০৯ সালের সস্ত্রাস বিরোধী (সংশোধনী/২০১৩) আইনের ৬(২)/৮/৯/১০/১১/১২/১৩ ধারা।

তদন্তকারী সংস্থাঃ কাউন্টার টেরোরিজম এন্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম, ডিএমপি, ঢাকা।

মোট অভিযুক্তঃ ২১ জন (ঘটনাস্থলে নিহত-০৫ জন, বিভিন্ন সময়ে অভিযানে নিহত-৮ জন,জীবিত-০৮ জন)।

মোট সাক্ষীঃ ২১১ জন (এর মধ্যে ১৭ জন ভিকটিম সাক্ষী)।

মোট আহতঃ ৩৬ জন (৩০ জন পুলিশ সদস্য, ০১ জন আনসার, ০৫ জন সিভিল)।

মোট নিহতঃ ২২ জন (২ জন পুলিশ অফিসার, ৯ জন ইটালিয়ান, ৭ জন জাপানিজ, ১ জন ভারতীয় ও ৩ জন বাংলাদেশী)।

জঙ্গী নিহতঃ ১৩ জন ( ঘটনাস্থলে ০৫ জন)।

উদ্ধারঃ ৯ এমএম পিস্তল-০৫ টি, একে ২২ মেশিনগান-০৩ টি, একে ২২ মেশিন গানের ম্যাগাজিন-০৭ টি এবং গুলি

মোট আলামতঃ ৭৫ টি।

এজাহারের সংক্ষিপ্ত বিবরণঃ 
অত্র মামলার বাদী এসআই রিপন কুমার দাস গত ০১/০৭/২০১৬ তারিখ সকাল ০৯:০০ টা হতে গুলশান থানাধীন রোড নং-৭১ হতে ৯২ এবং এর আশপাশ এলাকায় সরকারি গাড়ি যোগে পেট্রোল ডিউটি করাকালে রাত অনুমান ২০:৪৫ টা বেতারযন্ত্রের মাধ্যমে জানতে পারেন যে, গুলশানস্থ ৭৯ নং রোডের হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্ট এন্ড বেকারিতে গোলাগুলি হচ্ছে। উক্ত সংবাদ প্রাপ্তির পর তিনি সঙ্গীয় ফোর্সসহ রাত অনুমান ২০:৫০ টা সময় উক্ত রেস্টুরেন্ট এর সন্নিকটে উপস্থিত হয়ে দেখতে পান যে, রেস্টুরেন্টের ভেতরে কতিপয় সন্ত্রাসী ‘আল্লাহ্ আকবর’ ধ্বনি দিয়ে এলোপাতাড়ি গুলি বর্ষণ ও বোমা নিক্ষেপ করছে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা তাদের উপর বোমা নিক্ষেপ ও এলোপাথাড়ি গুলি বর্ষন করতে থাকে। আত্মরক্ষার্থে তারা পাল্টা গুলি চালায়। এক পর্যায়ে সন্ত্রাসীদের নিক্ষিপ্ত গুলি ও গ্রেনেডের আঘাতে এসআই ফারুক হোসেন ও তার সঙ্গীয় কনস্টেবল প্রদীপ চন্দ্র দাস ও আলমগীর হোসেন মারাত্মক জখমপ্রাপ্ত হয়। আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। এসআই রিপন কুমার দাস তাৎক্ষণিক উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন। যার প্রেক্ষিতে পুলিশ কমিশনার জনাব মো. আছাদুজ্জামান মিয়া বিপিএম (বার), পিপিএমসহ ডিএমপি’র সংশ্লিষ্ট সকল অফিসার ও ফোর্স ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হয় এবং হলি আর্টিজান বেকারি চতুর্পাশ কর্ডন করে ফেলে। অফিসার ও ফোর্স সন্ত্রাসীদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করলে সন্ত্রাসীরা তাদেরকে লক্ষ্য করে অনবরত গ্রেনেড ও গুলি বর্ষন করতে থাকে। এমতাবস্থায় রাত অনুমান ২২:৩০ টায় সন্ত্রাসীরা হলি আর্টিজানের রেকারির পশ্চিম দিকের ৭৯ নং রোডের ২০ নং বাড়ির সামনে অবস্থানরত পুলিশ অফিসার ও ফোর্সদের লক্ষ্য করে গ্রেনেড নিক্ষেপ ও গুলি বর্ষন শুরু করে। ফলে ৩০-৩৫ জন পুলিশ অফিসার ও ফোর্স আহত হয়। আহতদের মধ্যে কেউ কেউ মারাত্মক জখমপ্রাপ্ত হয়। আহতদের সবাইকে চিকিৎসার জন্য ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত অনুমান ২৩:২০ টা সময় বনানী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সালাহউদ্দিন খান মৃত্যুবরন করেন। এর কিছুক্ষণ পরই ডিবি’র সহকারী পুলিশ কমিশনার মোঃ রবিউল করিম মৃত্যুবরন করেন। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ পুলিশের আইজিপি মহোদয় ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। পরবর্তীতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তক্রমে ০২/০৭/২০১৬ তারিখ সকাল আনুমান ০৭:৪০ টা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্যারা কমান্ডো ব্যাটালিয়ন জিম্মিদের উদ্ধার ও সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করার লক্ষ্যে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান পরিচালনাকালে সন্ত্রাসীরা কমান্ডো বাহিনীর উপর হ্যান্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ ও গুলি বর্ষনের মাধ্যমে পাল্টা আক্রমন করে। অভিযানকালে ০৬ জন নিহত হয়। নিহতরা হলো- ১। মীর সামহ মোবাশ্বের (১৯), ২। রোহান ইমতিয়াজ (২০), ৩। নিরবাস ইসলাম (২০), ৪। মোঃ খায়রুল ইসলাম পায়েল (২২), ৫। মোঃ শফিকুল ইসলাম উজ্জ্বল ওরফে বিকাশ (২৬) ও ৬। সাইফুল চৌকিদার। এক পর্যায়ে প্যারা কমান্ডো ব্যাটালিয়ান তাদের সফল অভিযান সম্পন্ন করে। তারা দেশী বিদেশী মোট ১৩ জন জিম্মিকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। উল্লেখ্য যে, আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ০২ জন বিদেশী নাগরিকসহ ১৯ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে। জিম্মি থাকাবস্থায় সন্ত্রাসী কর্তৃক নৃশংসভাবে নিহত হওয়া ০৯ জন ইতালিয়ান, ০৭ জন জাপানিজ এবং ০১ জন ভারতীয় এবং ০৩ জন বাংলাদেশী (০৩ জন বাংলাদেশীর মধ্যে ০১ জন বাংলাদেশ-আমেরিকান নাগরিক) নাগরিকদের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। প্যারা কমান্ডো বাহিনীর অভিযানকালে ০৬ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী নিহত হয়। জিম্মিকালে সন্ত্রাসীদের দ্বারা নিহত দেশী বিদেশী ২০ জনের মৃতদেহ এবং ০৬ জন সন্ত্রাসীর মৃতদেহ উদ্ধার পূর্বক সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল, ঢাকায় প্রেরণ করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এর উপস্থিতিতে মৃতদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরী করা হয়। সিআইডি ক্রাইম সিন বিভাগের সহায়তায় গুলশান থানার এসআই রিপন কুমার দাস, এসআই মফিদুল ইসলাম, এসআই জয়নাল আবেদীন, এসআই হুমায়ুন কবির ঘটনাস্থল হতে সন্ত্রাসী কর্তৃক ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র, বিস্ফোরক দ্রব্যাদিসহ অন্যান্য উপাদানাবলি ও ভিকটিমদের ব্যক্তিগত মালামাল সাক্ষীদের মোকাবেলায় জব্দ করে নিজ হেফাজতে নেন। উল্লেখিত সন্ত্রাসীরা গত ০১/০৭/২০১৬ তারিখ রাত অনুমান ০৮:৪০ টা হতে পরদিন (০২/০৭/২০১৬) সকাল ০৭:৪০ টা পর্যন্ত অর্ধ শতাধিক দেশী বিদেশী নিরীহ মানুষকে জিম্মি করতঃ ২০ জন দেশী বিদেশী নাগরিককে গুলি করে ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে এবং ০২ জন পুলিশ অফিসারকে গ্রেনেড ছুড়ে হত্যা করে।

তদন্তঃ
দীর্ঘ দুই বছরের তদন্তে অত্র ঘটনার সাথে ২১ জনের জড়িত থাকার তথ্য প্রমাণ পেয়েছে সিটিটিসি’র তদন্তকারী কর্মকর্তা। যার মধ্যে ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত ৮ জনকে গ্রেফতার করেছে কাউন্টার টেরোরিজম এন্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট। উল্লেখ্য, ঘটনার সময় অভিযান পরিচালনাকালে ৫ জন এবং বিভিন্ন সময় অভিযানে ৮ জন নিহত হয়।

গ্রেফতারকৃত ৮ জন হলোঃ
১। মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজীব গান্ধী ওরফে সুভাষ ওরফে শান্ত ওরফে টাইগার ওরফে আদিল ওরফে জাহিদ (৩২), পিতা-মৃত-মাওলানা ওসমান গনি মন্ডল, মাতা-মোছাঃ রাহেলা বেগম, সাং-পশ্চিম রাঘবপুর (ভুতমারা ঘাট), থানা-গোবিন্দগঞ্জ, জেলা, গাইবান্ধা। টাঙ্গাইল জেলা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

২। মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান (৬০), পিতাঃ মৃত-হোসেন আলী, সাং-হাজারবিঘি চানপুর, থানা-শিবগঞ্জ, জেলা-চাপাইনবাবগঞ্জ। চাপাইনবাবগঞ্জ জেলা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

৩।রাফিউল ইসলাম ওরফে রাকিবুল হাসান ওরফে রিগ্যান (২২), পিতা-মোঃ রেজাউল হক, মাতা-রোকেয়া আক্তার, সাং-ইসলামপুর জামিলনগর, থানা-বগুড়া সদর, জেলা-বগুড়া। কুষ্টিয়া থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

৪। মোঃ আব্দুস সবুর খান ওরফে হাসান ওরফে হাতকাটা সোহেল মাহফুজ ওরফে মুসাফির ওরফে জয় ওরফে নসুরুল্লাহ (৩৩), পিতা-রেজাউল করিম শেখ, মাতা-মনোয়ারা বেগম, সাং-সাদিপুর (কাবলিপাড়া), পোস্ট-শিলাইদাহ, থানা-কুমারখালি, জেলা-কুষ্টিয়া। চাপাইনবাবগঞ্জ জেলা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

৫। হাদিসুর রহমান সাগর, পিতা-হারুন রশিদ, মাতা-মোছাঃ আসিয়া বেগম, সাং-কয়রাপাড়া কাদোয়া, থানা-জয়পুরহাট, জেলা-জয়পুরহাট। চাপাইনবাবগঞ্জ জেলা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

৬। মোঃ আসলাম হোসেন ওরফে রাশেদ ইসলাম ওরফে আবু জাররা ওরফে র‌্যাশ (২০), পিতা-মোঃ আব্দুস সালাম, মাতা-মোছাঃ নাসিমা বেগম, সাং-সাবাইহাট কাঞ্চনপুর, থানা-মান্দা, জেলা-নওগাঁ, বর্তমান ঠিকানা-মথুরান ওহাটা, থানা-পবা, জেলা-রাজশাহী। তাকে নারায়নগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করা হয়।

৭। শরিফুল ইসলাম ওরফে খালেদ (২৫), পিতা-আঃ হাকিম, গ্রাম-শ্রীপুর, থানা-বাগমারা, জেলা-রাজশাহী (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ছাত্র)।

৮। মামুনুর রশীদ ওরফে রিপন (৩০), পিতা-মৃত নাসির উদ্দিন সরদার, মাতা-কোহিনুর বেগম, সাং-শেকেরমারিয়া, পোস্ট-ভাটারা, থানা-নন্দীগ্রাম, জেলা-বগুড়া।

ঘটনার সময় নিহতঃ
১। রোহান ইবনে ইমতিয়াজ, পিতা-এম এম ইমতিয়াজ খান বাবুল, মাতা-জেরিন ইমতিয়াজ, সাং-ব্লক-বি, প্লট-৭/৯ লালমাটিয়া, ঢাকা।

২। মীর সামহ মোবাশ্বের (১৭), পিতা-মীর হায়াৎ কবির, মাতা-খালেদা পারভীন, সাং-বাসা নং-৬৮/এ, রোড-৫, পুরাতন বনানী ডিওএইচএস, বনানী, ঢাকা।

৩। নিরবাস ইসলাম (২৪), পিতা-নজরুল ইসলাম, মাতা-লাইলা ইসলাম রিতা, সাং-বাড়ী-৫, রোড-১৬, সেক্টর-৩, উত্তরা ঢাকা।

৪। শফিকুল ইসলাম উজ্জল ওরফে বিকাশ (২৬), পিতা-বদিউজ্জামান বদি, মাতা-আসিয়া খাতুন, সাং-চিথুলিয়া কৈয়াগাড়ী, থানা-ধুনট, জেলা-বগুড়া।

৫। খায়রুল ইসলাম ওরফে পায়েল (২২), পিতা-আবুল হোসেন, মাতা-পিয়ারা বেগম, সাং-শ্রী কুষ্টিয়া, থানা-শাহজাহানপুর, জেলা-বগুড়া।

বিভিন্ন সময় অভিযানে নিহতঃ
১। তামিম চৌধুরী, পিতা-শফিকুল ইসলাম চৌধুরী ওরফে সফি আহমেদ চৌধুরী, সাং-সোয়াসং বড়গ্রাম, চৌধুরীপাড়া বিজিবি ক্যাম্পের পাশে, থানা-বিয়ানীবাজার, জেলা-সিলেট। বর্তমান ঠিকানা-পাইকপাড়া শাহসুজা, রোড-নুরুদ্দিন দেওয়ানের বাড়ী, বাড়ী নং-৪১০/১, থানা-নারায়নগঞ্জ সদর, জেলা-নারায়নগঞ্জ।

২। সারোয়ার জাহান ওরফে আব্দুর রহমান, পিতা-আব্দুল মান্নান, সাং-চামার মুরশী, থানা-ভোলাহাট, জেলা-চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

৩। তানভীর কাদেরী ওরফে জামসেদ ওরফে আবদুল করিম, পিতা-বাতেন কাদেরী, সাং-পশ্চিম বাটিকমারী, ৯নং ওয়ার্ড, প্রফেসর কলোনী, থানা-গাইবান্ধা, জেলা-গাইবান্ধা। বর্তমান ঠিকানা-২০৯/৫ লালবাগ রোড, ৫ম তলা বাসার ২য় তলা, জনৈক হাজী কায়সারের ৫ম তলা বিল্ডিং।

৪। নুরুল ইসলাম মারজান, পিতা-নিজাম উদ্দিন, সাং-আফুরি পূর্ব পাড়া (হেমায়েতপুর), থানা-পাবনা সদর, জেলা-পাবনা।

৫। বাশারুজ্জামান ওরফে চকলেট, পিতা-সিরাজ মাস্টার, সাং-মাস্টার বাড়ী, থানা-তানোর, জেলা-রাজশাহী।

৬। মিজানুর রহমান ওরফে ছোট মিজান (২০), পিতা-আয়নাল হক, সাং-শাহাবাজপুর থানা, থানা-শিবগঞ্জ, জেলা-চাপাইনবাবগঞ্জ।

৭। মেজর (অবঃ) জাহিদুল ইসলাম ওরফে জাহিদ ওরফে মেজর মুরাদ, পিতা- নূরুল ইসলাম, সাং-পশ্চিম চাদপুর, ইউনিয়ন পরিষদ নং-৫ পাচতুরি, থানা কোতয়ালী, জেলা-কুমিল্লা।

৮। রায়হান ওরফে রায়াহানুল কবির ওরফে ফারুক ওরফে তারেক (২০), পিতা-শাহজাহান, মাতা-রাহেলা খাতুন, সাং-পশুয়া (টাঙ্গাইল পাড়া), থানা-পীরগাছা, জেলা-রংপুর।

Share This Post

Post Comment

%d bloggers like this: