মিসরে পেঁয়াজ গাছের গোড়ায় নয় ডগায় ধরে

বার্তা ডেস্কঃ  অদ্ভুত এক পেঁয়াজ বটে! গাছের গোড়ায় না হয়ে ডগায় ধরে। সে কারণে এর নাম ট্রি অনিয়ন। কেউ কেউ টপ অনিয়ন বা উইন্টার অনিয়নও বলে।

 

বৈজ্ঞানিক নাম ‘আলিয়ুম প্রলিফারাম’। দুনিয়ার আর কোথাও নেই।

একমাত্র মিসরেই পাওয়া যায়। সাধারণ পেঁয়াজের মতোই গাছ হয়। গাছের প্রতিটি পাতার কাণ্ডে ফোটে ফুল। পরে সেই ফুল ধীরে ধীরে থোকা থোকা পেঁয়াজে পরিণত হয়।

গ্রীষ্মকালে পরিপক্ব হয়ে মাটিতে হেলে পড়ে এবং সেখানে শিকড় ছেড়ে নতুন করে গাছ হয়।

এতে প্রচুর ফলন হয়। পুরো গাছই পেঁয়াজ হিসেবে খাওয়া যায়। রূপে-গুণে সাধারণ পেঁয়াজের মতোই। তেজে আরও ঝাঁজাল। —- আল আহরাম

দেশের সব গণমাধ্যমের শিরোনামে এখন পেঁয়াজ। টিভি চ্যানেলের টকশোজুড়েও পেঁয়াজের দৌরাত্ম্য। পেঁয়াজ ঝাঁজ এখন রাজনীতির মাঠেও বিচরণ করছে।

এ খবরে দেশের বিভিন্ন স্থানে দাম কিছুটা পড়লেও ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকানো পেঁয়াজ নিয়ে লণ্ডাকাণ্ড চলছেই।

পেঁয়াজের প্রথম চালানটা আসছে মিসর থেকেই। কেমন হবে মিসরের সেই পেঁয়াজ? কৌতূহলের শেষ নেই জনগণের মধ্যে।

ভারতীয় পেঁয়াজ সম্পর্কে বাংলাদেশিদের শতভাগ ধারণা থাকলেও মিসরে কীভাবে ফলছে এ মসলাটি সে বিষয়ে জানতে ইচ্ছুক অনেকেই।

মিসরের পেঁয়াজ সম্পর্কে খোঁজ খবর নিতে গিয়ে জানা গেল মজার তথ্য। পেঁয়াজ সম্পর্কে বাঙালি বদ্ধমূল ধারণাকেই পাল্টে দিছে মিসরীয় এক জাতের পেঁয়াজ।

সেখানে উৎপাদিত এক জাতের পেঁয়াজ গাছের গোড়ায় হয় না, অন্যান্য শস্য বা ফলের মতো গাছের আগায়, শাখা-প্রশাখা ধরে।

যেখানে বাংলাদেশ, ভারতসহ দুনিয়াজুড়ে মাটির নিচে অর্থাৎ গাছের গোড়ায় হয় পেঁয়াজ উৎপাদিত হয় সেখানে মিসরে ভিন্ন ধরনের এই পেঁয়াজটি গাছে ধরে।

এই ধরনের পেঁয়াজকে ‘ট্রি অনিয়ন’, ‘ইজিপশিয়ান ট্রি অনিয়ন’, ‘টপ অনিয়ন’, ‘উইন্টার অনিয়ন’ ইত্যাদি নামে ডাকা হয়। বৈজ্ঞানিক নাম ‘আলিয়ুম প্রলিফারাম’।

সাধারণ পেঁয়াজের মতোই গাছ হয় ‘টপ অনিয়ন’ এর। গাছের প্রতিটি পাতার ওপরে ফুল হয় সাধারণ পেঁয়াজের মতো। পরে সেই ফুলটি ধীরে ধীরে পেঁয়াজে পরিণত হয়। গাছটির গোড়া দেখতে সাধারণ পেঁয়াজের মতো হলেও এটি আকারে ছোট হয়ে থাকে, তাই গোড়ার অংশকে পেঁয়াজ হিসেবে ব্যবহার করা যায় না।

Share This Post

Post Comment

%d bloggers like this: