রংপুর টপ অব দি টাউন- কে এই লম্পট রফিক- নাবালিকার স্বামী, নবজাত কন্যার বাবা কে?

শরিফা বেগম শিউলী রংপুর সংবাদ দাতা : রংপুর নগরীর ১৭নং ওয়ার্ডে পার্বতীপুর নামক গ্রামে হতদরিদ্র ভ্যান চালক: জনৈক মোঃ নরুজ্জামান তিন সন্তানের জনক অনেক কষ্ট করে ১ ছেলে, ২ মেয়ে সন্তানদের লেখা পড়া করাচ্ছেন। কিন্তু কোথা থেকে এলো এক রফিক নামের আচমকা ঝড়? লন্ড ভন্ড হেয়ে গেল ভ্যান চালক নরুজ্জামান এর সকল সপ্ন। চরম দূর্বিসহ হলো নাবালিকা ৭ম শ্রেণীতে অধ্যায়নরত অবুঝ নাবালিকা ১৩ এর ——– । গত ১৯-০৩-২০১৯ইং রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একজন নবজাত নিস্পাপ কন্যা সন্তান জন্ম দিলেন।
তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায় পার্বতীপুর উচ্চ বিদ্যালয়, রংপুর এর ৭ম শ্রেণীতে অধ্যায়নরত ভিকটিম —- (১৩) কে স্কুলে যাতায়াতের পথে কু-নজরে পড়ে আসামী রফিকের।তাই তার কুরুচি মনের বাসনাপূরনে ঐ পরিবারের সঙ্গে সুসম্পর্ক ও যোগসাজস স্থাপনের জন্য গত বছর শুরুতে ভ্যান চালক ভিকটিমের বাবার কাছে যাতায়ত শুরু করেন ভিন্ন সুকৌশলে রফিক এই বলে যে, তার মনোনিত প্রার্থীকে  ভোট পাইয়ে দেওয়ার জন্য ভ্যান চালক ভিকটিমের বাবাকে বিভিন্ন সময় সাহায্য সহযোগীতা করেছিলেন বলে জানা যায়। রংপুর কোতয়ালী থানার মামলা নং- ০১/৫২, তারিখ- ০১/০২/২০১৯ইং এজাহার সূত্রে জানা যায় একই এলাকার বসবার করার কারনে সময় অসময় আসামী ভিকটিমের বাসায় যাতায়াত ছিল মধূর। এই সুযোগে গত বছর ০৯/১০ মাস পূর্বে একটিন আসামী রফিক (৪৫) নাবালিকা কে ফুসলিয়ে লোভ দেখিয়ে রংপরে ভিন্ন জগত নামক বিনোদন কেন্দ্র এলাকায় নিয়ে যান এবং লাল কাঁচের চুরি, লিপিষ্টিক, মেকাপ বক্স, কানের দুল বিভিন্ন প্রসাধনী সামগ্রী কিনে দিয়ে ভিকটিমকে আনন্দিত করেন। সেই সাথে ভিন্ন জগত বিনোদন কেন্দ্রের ভিতরে আবাসিক হোটেলের এক রুমে নিয়ে গিয়ে নাবালিকাকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোড়  পূর্বক ধর্ষন করেন বলে জানা যায়।
সর্বশেষ গত ০৭/০৬/২০১৮ইং তারিখে আনুমানিক ৮ ঘটিকায় ভিকটিমের বাড়ীতে পরিবারে লোকজনের অনুপস্থিতে ফুসলিয়ে আসামী রফিক জোড় পূর্বক ধর্ষন করে বলে জানা যায়। গত ৩০/০১/২০১৯ইং তারিখে পেট ব্যাথা পেট ব্যাথা বলে ভিকটিম পরিবারের লোকদের জানালে মা জোসনা বেগম অস্থির হয়ে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান, মেয়েকে ডাক্তার আল্ট্রাসনোগ্রামের পরামর্শ দিলে তার রিপোর্ট আসলে দেখা যায় ভিকটিম ০৭ মাসের অন্তস্বত্তা। এরই প্রেক্ষিতে ভিক্টিমের কাছ থেকে পরিবারের লোকজন এবং এলাকাবাসী তার  এই ঘটনার বিষয় জানতে চাহিলে সে সব কিছু খুলে বলেন। পরবর্তীতে হতদরিদ্র ভ্যান চালক তার নাবালিকা কন্যা ধর্ষন হওয়ার বিষয়  গ্রামের লোকজনের কাছে সুবিচার চাহিলে আসামী রফিক কোন কিছু করেন নাই বলে সবকিছু অস্বীকার করেন। তাই ভিক্টিমের মা জোসনা বেগম বাদী হয়ে রংপুর কোতয়ালী থানার নারী ও শিশু নির্যাতন আইন (সং/০৩) এর ৯ (১) ধারা মতে রফিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
উক্ত মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস.আই মোঃ রফিকুল ইসলামকে মুঠোফোনে এ বিষয় জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান আসামী রফিক ধর্ষনের কথা স্বীকার করেছেন এবং আমি তাকে আইন অনুযায়ী জেল হাজতে চালান করি। এ দিকে আসামী অব: সেনাসদস্য মোঃ রফিজুর রহমান রফিক (৪৮) মহামান্য হাইকোর্ট জামিন আবেদন করিলে বিচারপতি মোঃ রেজাউল হক এবং বিচারপতি জাফর আহম্মদের বে  ক্রিমিনাল কেস নং- ১৬৮০৪ ড়ভ ২০১৯, উধঃব: ০৪-০৩-১৯ । ০১ (এক) মাসের জন্য অস্থায়ী জামিন দেওয়ায় ধর্ষিতার পরিবারে মাঝে ভয়ংকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। ভিকটিমের অভিযোগ বিষয় আসামীর নিকট মুঠোফোনে তার কাছ থেকে জানতে চাওয়া হলে ওনি বলে আমি নির্দোষ আমি কোন ধর্ষন করি নাই। প্রযোজনে ডিএনএ পরিক্ষা করে সবাইকে জানিয়ে দিবেন। এ নিয়ে হাজারো মানুষের কাছে একটাই কথা নাবালিকার স্বামীকে, এই নবজাতক কন্যার বাবা কে?

Share This Post

Post Comment

%d bloggers like this: