যশোরের কচুয়ায় বৃদ্ধ প্রতিবন্ধীকে বিয়ের প্রলোভনে একাধিক বার ধর্ষণ

সরেজমিন  প্রতিবেদন, জি এম মিজানুর রহমান যশোরঃ  যশোরের কচুয়ায় বৃদ্ধ প্রতিবন্ধীকে বিয়ের প্রলোভনে একাধিক বার ধর্ষণ  ,সাত মাসের অন্তসত্ত্বা, থানায় মামলা ।  যশোর সদরের ১৩ নং কচুয়া ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের মালয়েশিয়া প্রবাসী মোঃ নফেল বিশ্বাস এর প্রতিবন্ধী কন্যা সোনিয়া খাতুন (২৪) কে একই ওয়ার্ডের মোঃ মতলেব মোল্যার পুত্র লিভাজধারী জামায়াতের পাতি নেতা মোঃ ইউনুচ মোল্যা (৫০) বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বাড়ীর দক্ষিন পাশে মাঠের মধ্যে নিয়ে একাধিক বার ধর্ষণ করে বলে জানা যায়।

এলাকাবাসীর সুত্রে জানা যায় ওই নারী এখন ৭ মাসের অন্তসত্ত্বা। এই ঘটনায় জামায়েত লিভাজধারী ইউনুচ আলীর নামে এক ব্যক্তিকে আসামী করে কোতয়ালী মডেল থানায় একটি মামলা হয়েছে। মামালা নং-৩৮, তারিখ ১৫/১১/২০১৮ ইং
কচুয়া পালপাড়া এলাকার মোঃ মতলেব মোল্যার পুত্র ইউনুছ আলীর বাড়ী মহিলা জামায়েত নেত্রীদের তালিমের নামে প্রশিক্ষন দিয়ে আসেছ। এই ইউনুছ আলী স্থানীয় একটি মসজিদের অনুদান সংগ্রহ করে থাকে। গত ১৩ নভেম্বর ২০১৮
তারিখে বুদ্ধি প্রতিবন্ধির পিতা মোঃ নফেল বিশ্বাস সোনিয়ার দিকে লক্ষ করে দেখে তার শারীরিক গঠন এবং চলাফেরার ভালো নয়, তার সন্দেহ হয়। তাকে জিজ্ঞাসা করা হলে সে ইশারায় বলতে তাকে ইউনুছ আলীর কথা। নফেলের ছেটো স্ত্রী মোছাঃ রশিদা বেগম জানায় আমাদের প্রতিবন্ধী মেয়ে সোনিয়ার নিকট থেকে ইশারায় জানতে পারলাম লম্পট ইউনুস বিভিন্নভাবে আমাদের বাড়ীতে প্রবেশ করে প্রতিবন্ধী সোনিয়াকে ইসারায় ডেকে নিয়ে বাড়ীর দক্ষিন পাশে খালের মধ্যে
ফেলে ধর্ষন করে। ফলে তার পেটে বাচ্চা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য গত ১৫ নভেম্বর বৃহস্পতিবার শহরের একটি ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে নিয়ে পরিক্ষা করা হয়। চিকিৎসক বলেন এই মেয়ে ২৪ সপ্তাহ ২ দিনের অন্তসত্ত্বা। ফলে এই ঘটনায় কোতয়ালী মডেল থানায় অভিযোগ দিলে পুলিশ তা মামলা হিসাবে রেকর্ড করে। আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী শিরিনা বেগম জানায় দীর্ঘদিন ধরে নফেলের প্রতিবন্ধী মেয়ে সোনিয়ার সঙ্গে ইশারায় কথা বলতে দেখেছে, আমার সন্দেহ হয়, সোনিয়ার অন্তসত্ত্বা ইউনুচের দারায় হয়েছে। আমি প্রতিবন্ধী সোনিয়ার কাছ থেকে জানিয়াছি সোনিয়ার পিতা মোঃ নফেল বিশ্বাস জানায় আমার বৃদ্ধি প্রতিবন্ধী মেয়ের ধর্ষণের ব্যাপারে আমি ইউনুচের বাপ, চাচা ও পাড়া প্রতিবেশির কাছে
সুষ্ঠ বিচারের জন্য ২/৩ বার পুরাতন মেম্বর আনোয়ার হোসেনের বাড়ীর সামনে সালিশ ডাকী। উক্ত সালিশের উপস্থিত মাতব্বরগণ আমার প্রতিবন্ধী মেয়ে ধর্ষণের কথাশুনেও ধর্ষকের কোন বিচার করে নায়। আমি নিরূপায় হয়ে ১৫ নভেম্বর রাতে আমার মেয়েকে নিয়ে কোতয়ালী মডেল থানায় উপস্থিত হইয়া একটি অভিযোগ করি। এলাকার লোকজন কোন সমাধান দিতে না পারায় তাই বাধ্য হয়ে থানায় মামলা করা হয়েছে।

 

Share This Post

Post Comment

%d bloggers like this: