টঙ্গীর তুরাগ নদীর দু’তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের কার্যক্রম শুরু

বার্তা ডেস্কঃ সোমবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত টঙ্গীর তুরাগ নদীর দু’তীরে গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনা আংশিক উচ্ছেদ করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশ মোতাবেক টঙ্গীর তুরাগ নদীর দু’তীরে অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনাসমূহ উচ্ছেদের নির্দেশ দেয় সর্বোচ্চ আদালত। নির্দেশনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সোমবার উচ্ছেদ অভিযানে নামে। টঙ্গীবাজার ব্রীজ থেকে পশ্চিম উত্তরে এবং টঙ্গী বাজারের পূর্ব দিকে দু’পাড়েই শত শত অবৈধ স্থাপনা গড়ে তুলে নদী দখলকারীরা। নদী দখলকারীদের দৌরাত্ব এমন পর্যায়ে পৌঁছে যে বিশাল তুরাগ নদী এখন একটি খালে পরিণত হয়েছে। অনতিবিলম্বে নদী দখলকারীদের উচ্চেদ করা না হলে অল্প কয়েক বছরের মধ্যে তুরাগ নদীর চিহ্নই থাকবে না।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)-এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোসা. শামীমা বানু শান্তির, নেতৃত্বে সোমবার সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানকালে তুরাগ নদীর দু’তীরে অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়া হয়। এ সময় বিআইডব্লিউটিএ জয়লান আবেদীন, মো. মিজানুর রহমানসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এ ব্যাপারে বিআইডব্লিউটিএ-এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোসা. শামীমা বানু শান্তি বলেন, তুরাগ নদীর জায়গা অবৈধভাবে দখল করে যারা স্থাপনা তৈরি করেছে তারা যেই হোক না কেন তাদেরকে কঠোর ভাবে দমন করা হবে। তুরাগ নদীর অবৈধ দখলদারিত্ব রোধে সরকার বদ্ধপরিকর। আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এদিকে টঙ্গীতে তুরাগ নদীর দু’পাশে উচ্ছেদ অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠান সরকারকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তারা অবিলম্বে সিএফ পর্চা মোতাবেক তুরাগ নদীর সীমানা নির্ধারণের দাবী জানিয়ে সব স্থাপনা উচ্ছেদে সরকারকে বলিষ্ঠ প্রদক্ষেপ নেয়ার দাবী তুলেছেন।

 

Share This Post

Post Comment